শুধুই কবিতা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
শুধুই কবিতা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

রবিবার, ২৮ জানুয়ারি, ২০১৮

Chilling Friends



 Shaiful Islam Majumder

Here,
The bunch of mega boys’
Someone stay far away,
Someone near.
Someone repair the man,
Someone Gear!!
We have no need dance floor,
No need the bar,
It is just enough that, we get together!!!

Someone playing guitar.
Someone leading the song,
We are singing together it is enough,
No need to care either
Lyric is right or wrong!!

We are the bank of joy,
We are just chiller
We are cool guys
We are the killer!!

We kill sadness,
We kill anger.
We are committed to go far way,
Together!!

শনিবার, ২ ডিসেম্বর, ২০১৭

The Huffy Friend

               The Huffy friend
      Shaif ul-islam majumder
           (29/11/17 01:00 Am)

Hey dear friend it's Night,
You are just like the Moonlight!
you are the non-consumeable candle,
The source to remove darkness,
You'r shining As the lights are bright!!

You are the Best gift,
You are the great!😎
You are the first ray of sun,
you are the morning bread!!😂😂😃

Please dear dost!
Don't be angry don't be shy,
Don't make your mood off on me,
Don't make me cry!!

you are the only one,
You are the portion of my heart,
please don't break it,
by hundreds & Thousands part!!😭

It's deep cold Night
My dear Dilu,🙌
I'm gonna sleep under the blanket,
So, Good night to you!!😊😊

বৃহস্পতিবার, ৯ নভেম্বর, ২০১৭

খোকন ঘুমে

    খোকন ঘুমে!!
  সাইফুল ইসলাম মজুমদার
  ১০/১১/২০১৭

ডিং ডিং ডং ডং
খাকা তুমি উঠ,
তুমি তো জাদুর কনা,
ভোরের গোলাফ হয়ে
এবার তুমি ফুট।

সবার চোখে স্বপ্ন হয়ে
তুমি এসেছ,
জেগেছ হয়ে এক টুকরো চাঁদ।
তামার অাগমনে অাজ সবার মনে,
ভেঙ্গেছে খুসির বাঁধ।

মায়ের লক্ষি সোনা তুমি,
বাবার প্রাণের পাখি।
তোমার পানে চাইছি খোকা তুমি,
এবার খোল অাঁখি।

শত বছর বেঁচে থাক,
করি অাশির্বাদ।
তোমার মুখের হাসিতে অাসুক,
হাজার নতুন প্রাত।

খোকন ওরে উঠনা এবার,
বাড়িয়ে দে দুই হাত।
তোর পায়েতে করনা বুকে,
মিষ্টি মিষ্টি অাঘাত।

তোর চোখেতে স্বপ্ন দেখি
তোর মুখেতে অালো!
তুই যে অামার বাবুই পাখি,
তোকে ভাসি ভালো!!

শনিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬

অাজ বসন্ত


অাজ বসন্ত
দুরন্ত পথিক

ফাগুনের অাগমনে চারদিকে সাঝ সাঝ রব,
ফুলে ফুলে রঙ্গিন হয়ে উঠেছে মাটির রং।
ঝলমলে রোধ বলে বেড়াচ্ছে,  অাজকের সূর্যটা অপুরন্ত।
ওহে পথিক, অাজ বসন্ত!

ঢলো ঢলো অাঁখি মেলি দেখি ভোরের অালো।
হঠাৎ এক মিষ্টি সুর বাজলো কানে, লাগলো ভাল।
নিজের অজান্তে মোন অামার উঠলো হাসি, যেন অালোয় অালোয় ভরে গেল হৃদয় দিঘন্ত।
অারে!! অাজ যে বসন্ত!!

বৃহস্পতিবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০১৫

যন্ত্রকৌশল সঙ্গীত

        ----  যন্ত্রকৌশল সঙ্গীত-----
         সাইফুল ইসলাম মজুমদার
       

"মোরা উদ্যম, মোরা দুর্দম
মোরা ধাবমান, মোরা অাবহমান।
মোরা যন্ত্রকে করি গতিদান।।"-১

নীল অাকাশের ওই কালো মেঘ কেটে,
উড়ে যায় অগ্রগামী উড়োযান।
মানুষের তরে এই সভ্যতা অাজো অাবহমান...
"যুগের তরী মোরা বয়ে চলি,
কেটে জল কল কল,
বিশ্বের তরে অামাদের যন্ত্র প্রকৌশল।।"-২
................১...........

টারবাইনের পাখায় মোরা শক্তির জয়গান,
বয়লারের বাষ্পে অাজ, 
সমাজের রেলগাড়ি চলমান।
ডিজেল ইঞ্জিনের জলন্ত শিখা মোরা,
মোরা দিপ্তিমান।
..................১..............

কৃষকের তরে মোরা বিধাতার দান,
কারখানার চাকা প্রতিনিয়ত ঘুর্নায়মান।
অামরা যত নব প্রযুক্তির ঘামে ভেজা অভিধান,
চল সবাই মিলে গাই নব সৃষ্টির জয়গান।।
................১................
....................২..............

শুক্রবার, ২০ মার্চ, ২০১৫

একলা মুসাফির

অনিশ্চিৎ জিবনযাত্রায় আজ আমি যে বড় একা!! অন্ধকার রজনীতে
অচেনা পথে
আমি একলা পথিক।
পথের নির্মমতায়,
কিংবা উশৃঙ্খল পাথরের শ্রীহীন আঘাতে
পড়ে যাই কখনোবা,
হয়তো কখনো চলে যেতে ছাই পথের বাইরে । কিন্তু কেউ একটু মায়া করেনা।
এখানে যে আপন কেউ নাই!!

ঘুটঘুটে নিলিমায় আমি একলা
চলেছি আলোর আশায়।
আমি ঠিকানাহীন এক মুসাফির।
রিক্তহস্ত এক ভবফকির।

নিজেই নিজের জন্য নির্ধারণ করছি নব নব দিক। আমি এক দুরন্ত পথিক!!!

বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারি, ২০১৫

গান- ১৫০১

        গান-১৫০১
   সাইফুল ইসলাম মজুমদার

তুমি আমার স্বপ্ন হবে
তুমি আমার রাজজন্যা
স্বপ্ন বাগানের ফোটা ফুল
তুমি, রুপের বন্যা!--১

এ জীবনের স্বপ্ন তুমি
প্রেম সরোবরের বাধা কূল
স্বপ্ন দেখি সত্যি হবার সাদে,
বল আমি করছিনা,
কোন ভূল।।

ভালবাসবো আমি শুধি তোমাকে
তোমায় নিয়ে আমি বাঁচবো
ফিরিওনা আমায় তুমি,
আজিবন তোমায় ভালবাসবো!!

এই পৃথিবীর যত ভালবাসা
সবই শুধু তোমার,
চল হারিয়ে যাই ওই অজানায়,
দুজন মিলে হই একাকার।।

২৪ ই জানুয়ারী, ২০১৪

হে সূর্য একবার ক্রুদ্ব হও

হে সূর্য একবার ক্রুদ্ধ হও
কবি- ইমরুল আয়ন্ত

আমাদের সূর্য রাগ করে না
তাই রাত্রিদিন
ফূর্তিতে থাকে অবিচ্ছেদ্য
কুয়াশা আর পূর্ণিমায় উতসব
করবে বলে যারা অপেক্ষায় ছিল তারা এখন
ঘাসের শরীরে শিশিরের অদ্ভুত জটিল
ছেনালি দেখতে দেখতে ভুলে গেছে আলোর
ঢেউ গুনা।
সম্পদ আর আনন্দের
পৃথিবীতে সুখী দালানগুলো ঘুমালে ফুলে ফেঁপে দীর্ঘতর

হয় রাতের আঁধার-
ওপাশে অজগর
অন্ধকারে দুলে ওঠে নাঁচঘর; বালাময়
ষোড়শী শরীর,শ্রম আর প্রশান্তির স্রোত
ডিঙিয়ে রাতের মাঝি এইখানে অমৃত
মিউজিকে বিষ উৎপাদনের গান
গায়,মানুষের
অস্থি শোণিতে মীমাংসিত সে সুর
ঢেলে দিয়েছে সুধাক্ষন তাই মানুষও
কুড়িয়ে নিয়ে ভ্রান্ত মৌনতা নিখাদ
নীলে স্বপ্ন আঁকে শীতের
কুয়াশাপত্রে।

আমাদের সূর্য রাগ করে না তাই গ্রামের
পর গ্রাম ঘুমিয়ে থাকে-
ফসলি মাঠে লাঙলের কোলাহল নেই-নেই
খুঁটে খাওয়া শালিকের
ফূর্তি আছে কতিপয় মুখবেশ্যার
কৌশলী হাসির ঝিলিক।
আমাদের সূর্য রাগ করে না
তাই মৃত্যুর
ভোরে ফিরে ফিরে আসে শকুনের বসন্ত
আর গিরগিটির সুদিনে তাই অলিখিত
আমাদের অগ্রযাত্রার ইতিহাস।

হে সূর্য,
একবার ক্রুদ্ধ হও,থামাও
নৈঃশব্দ্য,কুয়াশার শেকড়বাকড়
ছিঁড়ে জ্বলে ওঠো গ্রামে জনপদে শ্রমিক
শহরে-
আমি তো প্রার্থনাগুলো শস্যের দানার
মত ছড়িয়ে দিয়েছি শ্যামল পলিমাটিতে।

শনিবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০১৫

মানুষ চেনা দায়

মানুষ চেনা দায়
## দুরন্ত পথিক##

হায়
আজিকার যুগে রঙিন ধরায়
মানুষ চেনা দায়!

সত্য মিথ্যার ফাকে ফাকে,
হাজার রকম ফোকর থাকে
কয় বনি আদম তার খবর রাখে?
সরল আশে লাজুক আঁখে,
ফেলফেলিয়ে চায়!
চতুর লোকের প্যচের গোলায়
মানুষ ধরা খায়!
ওহে মানুষ চেনা দায়!!

কেউবা হাবা ভাব দেখিয়ে,
তোমার সু-করুনা মাঘিয়ে,
সাথি হবে তোমার পাশে,
বলবে তোমায় ভালবাসে,
হাজার রকম বাহানাতে পাতবে যে সে ফাঁদ,
সেই ফাঁদে আটকা পড়ে তুমি হবে কুপোকাত!!

কেউবা তোমার রক্ষাকারী
তার লোক লস্কর সারি সারি
সম্ব্রম তাহার আহামরি
তা সে তোমার দ্বারে করবে জাহির।
হয়তো তার সম্ব্রমের চাপে তোমার
প্রান পাখি হবে বাহির!!!

বন্ধু তোমার প্রাণের পাখি,
তার কিচু নেই বলার বাকি,
তাকে তুমি চেন রে ভাই,
জন্মাবধি হায়।
তার পরেও বলবো আমি,
মানুষ চেনা দায়!!

সে তোমার বড়ই আপন,
রক্ত তোমার, আত্নিয় তোমার
মরার পরে সেই তোমায়
পরাবে সাদা কাপন!
সব ঠিক আছে,  কিন্তু
হয়তো সেই তোমাকে এই দুনিয়ায়
করবে জিন্দা দাপন!!

রঙের লিলায় রঙে ভরা
কাকে করবো ঘৃনা রে ভাই,
কাকে বিশ্বাস করা?
জানিনাগো কার চোঁয়াতে
এই জীবন শান্তি পায়!
কিন্তু, অবিজ্ঞতার এইটুকুতে
বুজলাম আমি,
মানুষ চেনা দায়!!

১৮ই জানুয়ারী, ২০১৫ ঈসায়ী
স্থান: মহানগর প্রভাতী ট্রেন

বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০১৫

অঘোচােলা স্বপ্ন

       অঘোচালো স্বপ্ন
         ইমরুল হাসান

অস্ত্রবিরতি শেষ হয়েছে অনেক আগেই
এখন-
বন্দুক তাক করা প্রেমের উপাখ্যানগুলো বুকের
ভিতরে ক্রমাগত
স্মৃতির গোলা ছোঁড়ছে আর হৃৎপিণ্ড
ছিন্নকারী ভালবাসা-
শরীরে সুখের পেনশন
পেয়ে অর্গানে আনন্দের সুর তোলছে;
মনে হয় স্বার্থক
অন্ধকারে দাঁড়িয়ে কারা যেন
সাপের দীর্ঘ সহবাস দেখছে আর আমার
কঙ্কালতান্ত্রিক সময়ে লঘুমুষ্টি-
মেয়েসাপের জরায়ূতে বিষপিণ্ড
দেখে না না করছে,
ফাগুনের ঝলকিত ফুল দেখে যারা আভূমি-চাষ
করতে চেয়েছিল
সুভাষিত দিন,
ভুলের প্রতি ইঞ্চি জমি এখন তাদের ফসলীমাঠ
আর
উজ্জ্বল কুহকের ফাঁদে তারা এখন ষড়ঙ্গধূপ-
জ্বালিয়ে বলছে-
প্রেম মাটির উনুনে পড়ে হয়ে যায় কলঙ্ক
তিলক-
বিষাদের নামতা শেখা বালক;দু:স্বপ্নের
ভিতর পাশফিরে ঘুমাও
আমরা আনন্দসংগীত গাইবো।
ফুলবৃষ্টির দিনগুলো এগিয়ে আসছে পৃথিবীর
প্রতি
এইভেবে-
ক্যানভাসে ব্যাঙের ফূর্তি আকছে কতিপয়
পাতক-পাতকী
আর আমার সাদাপৃষ্টাগুলো ভরে তোলবার
ইচ্ছেরা ধীরে ধীরে উধাও হচ্ছে।

মনে পড়ে

মনে পড়ে
সাইয়ান বোরহান
===============================
দাড়াবে যখন তুমি স্মৃতির জানালায়
দূর-দৃষ্টি রেখে আকাশের নীলিমায়
বলা না-বলা কথার মেলায়
নীরব ক্ষণে মনে পড়বে আমায় ।

জানি বন্ধু,মনে পড়বে আমায়
শিশির-ভেজা সকাল বেলায়,
শিউলী যখন ঘাসের পাতায়
গুনে প্রহর তোমার আশায় ।

জানি, আজও মনে পড়ে আমায়
শেষ বিকেলের ঠাণ্ডা হাওয়ায়
ডুবন্ত সূর্যের রক্তিম আভায়
যখন তুমি ভাসো স্বপ্ন-ভেলায় ।

চাঁদ জোনাকীর আলো খেলায়
জানি,মনে পড়ে বন্ধু আমায় ,
হাস্না-হেনা যখন গন্ধে মাতায়
জ্যোৎস্না হাসে তোমার খোপায়।

আমার মৃত্যু হবে

আমার মৃত্যু হবে
কবি -শামীম রায়হান
===============================
মৃত্যুর মিছিলে কেউ আগে কেউ পরে
সবাইকে যেতে হবে সুন্দর ভুবন ছেড়ে,
কেউ নয় চিরস্থায়ী, পড়ে রবে বাড়ি গাড়ি
মাটির দেহতো মাটিই খাবে।
আমি, আমি আর আমার করি বড়াই
কি নিয়ে যাব জগৎ ছেড়ে ভাবি না তা,
অধিকার, অনাচার, অবিচার,স্বার্থে
সারা জীবন দৌড় শুধু অর্থহীন যে।
শুন্য কবরে যাব তাই লাগে ভয়
সাথেতো কেউ যাবেনা এ চলায়,
কালের সাক্ষী কে হবে ভাই
একা এসেছি আবার একা যাব তাই।
মায়ে আদর, বাবার
ভালবাসা কিম্বা সমাজের ছায়া
সবাইরে রেখে যাব এঁকে শুধু মায়া,
পাপ পুন্যের হিসাব আমার হাসে
কবরের মাটি আমার বুকের হাঁড় কাটবে।
মৃত্যুর ভয় করিনি আগে কেমনে বলি তা
সত্য মিথ্যার জটিল সংসারে করিছ তামাসা,
লোভের হাড়ি ভাঙ্গবে মালিক
চেতনার রশি জ্বলবে ভারি।
মরন নামের মহা সুধা
জন্ম নিলেই করতে হবেই পান,
অংহকার আর বাড়াবড়ি হবে অবসান
সময় থাকতে বোঝরে অবুঝ মানব প্রান।

নিশিকন্যার আত্মকথা

নিশিকন্যার আত্মকথা
কাইয়ুম আকন্দ

আমি রাত জাগা এক নারী,
রাতের আঁধারে নাগর খুঁজেফিরি,
ভালবেসে কেউ ডাকে নিশিকন্যা,
কেউ বা রূপসী অনন্যা।

জৈবিক চাহিদার স্বাদ কি,
তা আমি নাহি বুঝি,
প্রতিবারেই দেহের পসরা সাজিয়ে,
নতুন বঁধু সাজি।
নাগরের আশায় পথে পথে ঘুরি,
আমি রাত জাগা এক নারী।

একটু কড়া পারফিউম ছিটিয়ে,
বা গাঢ় লিপস্টিক লাগিয়ে,
শরীরটা অদ্ভুদ ভাবে বাঁকিয়ে,
নাগরের পানে থাকি তাঁকিয়ে,
নাগরের তৃষ্ণা আর আমার পেটের তাগিদে,
শরীরটা দেই বিকিয়ে।

মাঝে মাঝে সরকারী উর্দি বাবু,
আইনের জালে করে কাবু,
ভাগ বসায় টাকায়, অথবা করে উবু,
মাগনা লুটায় কিছু মধু।

সেদিন এক মোড়লের বিচারালয়ে,
বিচার করেছিল আমায় বেশ্যা বলে,
ইচ্ছে করছিল তাঁর কানটা ধরে টানি,
বলি মোড়ল, তোমার পুরুষ দন্ডের মাপও
আমি জানি।

রাত শেষে ভোর হয়,
ক্লান্ত শরীরে পড়ে থাকি,
বেশ্যা পুরুষ যায়, ভদ্র বেশে,
আর আমি মিছে স্বপ্ন আঁকি।

সাধ জাগে বড্ড সাধ জাগে,
তোমাদের কাতারে বাঁচবার,
ঈশ্বরের বানি নিয়ে আসেনি কখনও ঈশ্বর
ভক্তরা,
এসেছে শুধু যৌন ক্ষুধা নিয়ে বারবার।

তোমার পথ চেয়ে

তোমার পথ চেয়ে
#দুরন্ত_পথিক

সাথী বিহীন এই পথে আমি বড়  একা!
নিসঙ্গ জীবন আমায় প্রশ্ন করছে বারবার,
আমার কি শখ জাগে না মাধুরির একটু মিষ্টি চোঁয়া পাবার??
হয়তো আমি তোমায় বলবোনা মুখফুটে,
তাই বলে কি কেউই হবেনা আমার,
ভালবেসে  একবার ও দিবেনা দেখা??

শত গান কবিতা লিখেছি প্রেমময় আবেগে,
কখনোবা না জানা কারো না দেখা বদন নিয়ে ভেবেছি,
দেখেছি স্বপ্নের আঁখি দিয়ে!
স্বপ্নেই ছিলে তুমি,  কেন বাস্তবে নয়!
বল আর কতদিন আড়ালে রবে,
বলে দাও মোরে তুমি আমার হৃদয় দখল করে,
আসবে কবে???

আর দেরী করোনা প্রিয়া,
দাও দেখা মোরে অবিলম্ভে।
দেখ রবি আজ মধ্যাকাশে এসে পড়েছে,
সময় যাচ্ছে বয়ে,
ওগো স্বপ্ন কন্যা তুমি দেখা দাও,
আমি আজো একা বসে আছি
তোমার পথ চেয়ে !!!

10/01/2015 ; 00:21
laxmiuara, Feni

তোর কি মনে পড়ে না

তোর কি মনে পড়ে না
তপন কুমার বড়ুয়া

তোর কি মনে পড়ে না,
সেই যে ভোরে শিউলি তলায়
সুরভি হয়ে তুই
ভরিয়ে দিতিস
অামার শরীর মন?

তোর কি মনে পড়ে না,
বর্ষা এলেই বৃষ্টি হয়ে
ঝরতিস তুই,
ভিজিয়ে দিতিস অামার
শুকিয়ে যাওয়া মরুদ্যান?

তোর কি মনে পড়ে না
চাঁদনী রাতে একটু ছুঁয়ে
পালিয়ে যেতিস
লাজ রাঙ্গা গ্রাম বালিকা
স্বপ্ন ঝিলিক চোখে?

তোর কি মনে পড়ে না,
সুযোগ পেলেই একটি চুমু
এঁকে দিতাম
নিষিদ্ধতার দেয়াল ভেঙ্গে
হাত রাখতাম ------?

- তোর কি মনে পড়ে না,
কাঁপন ধরা বিমুগ্ধতায়
বেলা যেতো,দিন যেতো,
চঞ্চলতায় হারিয়ে যেতাম
উৎকন্ঠায় কুঁকড়ে যেতাম?

তোর কি মনে পড়ে না,
এক সকালে পালকি চড়ে
হারিয়ে গেলি,অার
কষ্ট বুকে এখনো বেঁচে অাছি
অামি কঠিন বাস্তবতায়?

তোর কি মনে পড়ে না?

মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারি, ২০১৫

আর লিখবোনা

আর লিখবোনা
#দুরন্ত_পথিক

কবিতা আর লিখবোনা!
যে কবিতায় কারো হিত নড়ে না,
যে লেখার গভীরে কারো চোখ পড়ে না,
কাদের জন্য লিখবো?
কবিতা যারা পড়েনা??
তো কবিতা আর লিখবো কেনো?
নাহ! আমি আর লিখবোনা!!

কাদের জন্য লিখবো?
যারা দিবা নিদ্রায় স্বপ্ন দেখে তাদের জন্য?
যারা ক্ষমতার লোভে ঘুরে হয়ে হন্য!
ওরে আমি আর কবিতা লিখবোনা,
সভ্যতার চোঁয়ায় নিজেকে রাঙাবো না।
আমি হয়ে যাবো বন্য!!

আমি আড়াল করবো নিজেকে সভ্য সমাজের অসামাজিক কর্মের প্রভাব থেকে,
আমি চলে যাব অজানার উদ্দেশ্যে তোমাদের মায়া ছেড়ে, 
যাব মোর হাজার সৃতি তোমাদের কাছে রেখে।
আমি আর তোমাদের জন্য লিখবোনা।
হয়তো তোমাদের সাথে আমার কবিতার হয়না কোন বনিবনা।

বলতে পার হিতোপদেশ কেন তুমি দাওনা?
আমরা ভালো হই তাকি তুমি চাওনা?
বলবো আমি,  সকাল বিকাল দিই আমি বানী,
সো-কেসে সাঝিয়ে রাখবে সেতো আমি জানি!

সাঝানোর জন্য নয়তো ওরে মানার জন্য বলি হে-
মানার মত মানস বানাও, কবিতা আবার লিখবো আমি যে!!

৭ই জানুয়ারি, ২০১৫

রবিবার, ৪ জানুয়ারি, ২০১৫

রিকশাওয়ালা

রিকসাওয়ালা
ফেরারী মোঃমুরাদ
----------------

কখনো বৃষ্টিতে ভিজে
কখনোবা রোদে পুড়ে
চুক্তিতে ভাড়া করে
রহিম মিয়া চালায় রিকসা।
আমরা যাকে ডাকি রিকসাওয়ালা।।
কখনো সকাল থেকে সাঝে,
কখনোবা মাঝ রাত অবধি
রিকসার প্যাডেল মেরে
উপার্জন করে টাকা
একটু খানি সচল করতে সংসারের চাকা।
চার সন্তান বিবি নিয়ে রহিম মিয়ার পরিবার
যেথা সদাই থাকে অভাব নামের হাহাকার।
অসুখ হলে যদি থাকে একদিন ঘরে সুয়ে
আগুন জ্বলেনা চুলতে, থাকে অনাহারে।
তাই রিকসা নিয়ে দাড়িয়ে থাকে
শহরে অলিতে গলিতে,
যার যে স্থান যাওয়া প্রয়োজন
সেথায় যায় ছুটে।
তবু শহরের বাবুরা দেখে ওদের ঘৃণার চোখে
ছোট জাত বলে দেয় গালি বাধেনা বিবেকে।
কখনো দেয় না তাদের ন্যায্য অধিকার
ভাড়ার বদলে দেয় কষে দুগালেতে চড়।।
কখনো যদি চায় দুটাকা বেশী
তার বদলে খায় লাথি ঘুসি।
আবাল বৃদ্ধ কিছুই মানে না, রিকসাওয়ালা
বলে করে শুধুই অবহেলা।।
কি লাভ বলো?
ওদের তুচ্ছ, ছোট জাত বলে
ওরা ভিক্ষা চায় না,
কাজের বিনিময়ে চায় পয়সা নিতে।
ওরাওতো দেশ উন্নয়নে রাখছে অবদান
গরিব বলে কেন পাবে অপমান?
ওদের ও আছে ভাত ভোটের অধিকার
মানুষের মত বাঁচার অধিকার।
কাজের উপর ভিত্তি করে মানুষ
হয় না ছোট বড়,
ইউরোপ, আমেরিকার দিকে একটু লক্ষ কর।
তোমার মত ওরাও যে রক্তে মাংসে গড়া মানুষ
না হয় তুমি কোট টাই পড়ে উড়াও রঙ্গিন ফানুশ।
তাই ওদের রিকসাওয়ালা নয়
ভাব নিজের ভাই,
ভুলে কি গেছ?
সবার উপরে মানুষ সত্য তাহার উপরে নাই।।

Sunday, January 4, 2015